তিনি আরো বলেন, আমরা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়েছি, সৈয়দপুরে টাকাসহ জামায়াত নেতা আটকের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব বলেছেন, ৫০ লাখ কেন ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বহন করতে পারেন। এটা ঠিক নয়। এ সময় কেন টাকা আটক করা হচ্ছে? কারণ সময়টা ভিন্ন। সময়টা যদি স্বাভাবিক থাকত, তাহলে ইসি কেন বলেছেন বিকাশে ১০ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না? নিশ্চয়ই কারণ আছে। ভোটারদের যাতে টাকা দিতে না পারে, সেজনই এত বেশি টাকা বহনে বাধা দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ইসির সিনিয়র সচিব বলেছেন, তিনি কখনো এমন কথা বলেননি। এটা মিসকোট করা হয়েছে। আমরা জানি না কে সত্য।
বিএনপির এ নেতা বলেন, যদি ইসির সিনিয়র সচিব এমন কথা বলে থাকেন, তাহলে সেটা খুবই দুঃখজনক। আর যদি কোনো গণমাধ্যম মিসকোট করে প্রচার করেও থাকে, সেটিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভালো কাজ নয়। আপনার (সাংবাদিকেরা) সত্যের সন্ধানী হিসেবে সত্য উৎঘাটন করুন।
তিনি আরো বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক একটি কার্ড প্রকাশ করেছেন, সেখানে তিনি লেখেন কাস্টমসের অনুমতি নিয়েই জামায়াত নেতা টাকা বহন করেছেন। এখানেই প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। কে তাকে প্রশ্ন করেছে? শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে এ টাকা কিভাবে গেল। কেউতো জানতে চাইনি। তাহলে কেন তিনি নিজে থেকেই এ ব্যাখ্যা দিলেন। সবই রহস্যজনক।
এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ দুর্বল নয়। যারা এ পরিবর্তন চায় না, তারা তো নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতেই পারে। আবার যারা নির্বাচনে আছে, তারাও নিশ্চিত পরাজয় জেনে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের উচিত শক্ত ব্যবস্থা নেয়া।







