চাঁপাই খবর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাশহরের পিটিআই এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এ.কে. খান ফিলিং স্টেশন। বৃহস্পতিবার সকালে জ্বালানি তেল নিতে মোটরসাইকেল চালকরা সারিবদ্ধভাবে লাইনে দঁাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন।
এখানে বৈধ কাগজপত্রধারী প্রতিটি মোটরসাইকেলকে দেয়া হচ্ছে ৫০০ টাকার পেট্রোল অথবা অকটেন। একজন টেকনিশিয়ান লাইনে দাঁড়ানো মোটরসাইকেলগুলোর নম্বর অ্যাপসে লিখে নিচ্ছেন। একজনকে তেল দেয়া শেষ হতেই অন্যজনের নম্বর তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাচ্ছে। যারা তেল নিচ্ছেন তারা আগামী পাঁচ দিন জেলার অন্য কোনো পাম্পে তেল নিতে পারবেন না। কারণ তেল নিয়েছেন কিনা সেটি অ্যপসে যাচাই করা হবে। ধরা পড়লে জরিমানা গুণতে হবে।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অ্যাপসের মাধ্যমে এই ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী। উদ্বোধন শেষে তিনি বলেন— বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় তেল নিয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছিল। এমন অবস্থায় জনি নামের একজন উদ্ভাবক ‘ফুয়েল ডিসপেনসিং সিস্টেম’ নামের একটি অ্যাপস তৈরি করে দিয়েছেন। (গত বুধবার) শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলায় চালু করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সদর উপজেলায় এই অ্যাপসটি চালু করা হলো। পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলায় চালু করা হবে। এতে জনসাধারণের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছি।
এক মোটরসাইকেল চালক জানান, তিনি ৩০০ টাকার তেল নিয়েছেন। এই তেল দিয়ে তার ৫ দিন চলে যাবে।
বারঘরিয়া লক্ষ্মীপুরের জাহাঙ্গীর বলেন— ৫০০ টাকার তেলে অনায়াসে ৫ দিন চলে যাবে। এই ব্যবস্থা চালু করাতে ভোগান্তি কমবে বলে তিনি মনে করেন।
উদ্বোধনকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন, ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আতাউর রহমানসহ পুলিশের একটি দল ও ফিলিং স্টেশনের মালিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।